This entry is part 4 of 10 in the series মনমাঝি

পর্ব—৪

_________________________________________________________________________

সত্যিই ঝাড়গ্রাম শিমূলের জীবনটাকে বদলে দিয়েছিল অনেকটা। তার উড়ু উড়ু মনটাকে নিবদ্ধ করেছিল একটা স্থির লক্ষ্যের দিকে। কিছু করতে চাওয়ার একটা গভীর বাসনা তাকে এমনভাবে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়িয়েছিল যে এস.এস.সি তে সবাই যখন চাকরীর জন্য নিজের বাড়ির কাছকাছি অঞ্চল খুঁজেছিল, সে তখন স্বেচ্ছায় যেতে চেয়েছিল সুন্দরবনের বাসন্তী ব্লকে ।কোলকাতা ছেড়ে এতদূরে, বাড়ির বাইরে একা থেকে স্কুলে পড়ানোর ব্যাপারে সবাই আপত্তি করেছিল । কিন্তু গ্রামবাংলার নেশা ,সাধারন মানুষগুলোর জন্যে কিছু করতে চাওয়ার প্রবল ইচ্ছা …সর্বোপরি রুবনের প্রতি অগাধ এক শ্রদ্ধা , তাকে উত্সাহিত করেছিল এমন একটা জীবন বেছে নিতে।

………………………………………………….. ক্রমশ 

 

 

  
This entry is part 5 of 10 in the series মনমাঝি

পর্ব—৫। _____________________________________________________________________________

রাতে খাওয়া দাওয়ার পর রাঙাপিসি গাড়ি বারান্দার কোণের দিকের ঘরটায় বাবার শোওয়ার বন্দোবস্ত করল । শিমূলের হাতে সাদা প্রিন্টেড বেডশীট আর পিলোকভার বার করে দিল আলমারি থেকে । শিমূল জানে ওই ঘরটা আগে রুবনদার ছিল।এখন সে আর থাকে না বলে ঘরটা ফাঁকাই থাকে । পিসিদের একতলা দোতলা মিলিয়ে প্রায় ছ’টা ঘর । নিচে পিসেমশাইয়ের বৈঠকখানা ছাড়াও আরেকটা ঘর আছে । তাছাড়া রান্নাঘর ,বাথরুম। কাজের মেয়েদের থাকার জন্য আরও দুটো ঘর আলাদা করা আছে বাগানের দিকে । দোতলায় চারটে ঘর ,ঠাকুরঘর , গোল গাড়ি বারান্দা , বড়ো দালান , বাথরুম …ছাদের সিঁড়ি।

………………………………………………………………………………………………………………………………………………..ক্রমশ

  
PAGE TOP
HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com
Copy Protected by Chetans WP-Copyprotect.